প্রতিষ্ঠা
হাফেজ ক্বারী মোরশেদ আলম হুজুর এর হাত ধরে মাদরাসাতুত তাহফিজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
মাদ্রাসাতুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল — প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস, মিশন, ভিশন ও কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
শিক্ষার্থী
সক্রিয় শিক্ষার্থীশিক্ষক-শিক্ষিকা
দক্ষ শিক্ষকমণ্ডলীবিভাগ
বৈচিত্র্যময় বিভাগপুরস্কার
জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়েমাদরাসাতুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল ২০২২ সালে আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই মাদ্রাসার লক্ষ্য ছিল — কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক শিক্ষা প্রদান করে একটি জ্ঞানভিত্তিক ও নৈতিক সমাজ গঠন করা।
মাদরাসাতুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল একটি অন্যতম দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যা ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ ক্বারী মোঃ মোরশেদ আলম -এর নিরলস সাধনা ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় এটি আজ একটি আলোকিত ঠিকানায় পরিণত হয়েছে। তাঁর প্রধান লক্ষ্যই ছিল — এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, যেখানে কুরআন-সুন্নাহর পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞানচর্চাও সমান গুরুত্ব পায়। বর্তমানে এই মাদ্রাসায় ২৬০-এর অধিক শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে, আর ২৫ জন দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা তাদের পাঠদান করাচ্ছেন। পাঁচটি পৃথক বিভাগ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আজ সাফল্যের সঙ্গে তার লক্ষ্য বাস্তবায়ন করে চলেছে।
প্রতিষ্ঠাকাল: ২০২২ সাল
অবস্থান: আব্দুল মজিদ টাওয়ার, আল তায়েবার মোড়, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা
প্রতিষ্ঠাতা: হাফেজ ক্বারী মোঃ মোরশেদ আলম
বর্তমান শিক্ষার্থী: ২৬০+
শিক্ষক-শিক্ষিকা: ২৫+
আমাদের মূল লক্ষ্য — দ্বীনি জ্ঞান ও নৈতিকতা সম্পন্ন একটি প্রজন্ম গড়ে তোলা, যারা দুনিয়া ও আখিরাতে সফল হবে। কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তোলা আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য।
মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু হয় ফজরের আজান থেকে এবং চলতে থাকে এশার নামাজ পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে কুরআন শিক্ষা, তাজবীদ, হিফজ, আরবি ভাষা, বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও ইসলামি শিক্ষা প্রদান করা হয়।
ফজর (সকাল ৫:০০) — নামাজ ও কুরআন তিলাওয়াত
সকাল (৮:০০-১২:০০) — মূল ক্লাস ও পাঠদান
দুপুর (১২:০০-২:০০) — বিরতি ও জোহরের নামাজ
বিকাল (২:০০-৫:০০) — বিশেষ ক্লাস ও হিফজ সেশন
সন্ধ্যা (৫:০০-৮:০০) — মাগরিব ও এশার নামাজ, সবক তৈরি
বর্তমানে এই মাদ্রাসায় ১৫০+ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত এবং ২৫+ দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা পাঠদান করছেন। এখানে আবাসিক ও অনাবাসিক উভয় ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া ডে-কেয়ার সুবিধা, বালক ও বালিকা শাখা আলাদাভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
শিক্ষকমণ্ডলী অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ। তাঁরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে তাঁরা সর্বদা সচেষ্ট।
মাদ্রাসায় আরবি, বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ শিক্ষা — এই চারটি ভাষায় শিক্ষা প্রদান করা হয়। কুরআন-সুন্নাহ, ফিকহ, তাফসির, হাদিস, আরবি সাহিত্য, গণিত, বিজ্ঞান, সমাজ ও সাধারণ জ্ঞান — সব বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলা হয় শিক্ষার্থীদের।
এছাড়া নুরানি, মকতব, নাজেরা, হেফজ ও রিভিশন — এই ৫টি বিভাগে বিভক্ত হয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রতিটি বিভাগের জন্য আলাদা কারিকুলাম ও শিক্ষক রয়েছে।
মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সুন্দর ব্যবহার ও সুন্দর চরিত্র গঠন এর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এছাড়া স্থানীয় সমাজে মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় মাদ্রাসার উদ্যোগে।
শিক্ষা সফর ও অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীদের সামাজিক দায়িত্ববোধ ও মানবিক গুণাবলী বিকাশে এসব কার্যক্রম সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করেছে। হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ করে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হয়েছে।
এছাড়া আলিমা ও আলিম কোর্সের শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দেশের বিভিন্ন ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছে। মাদ্রাসার সামগ্রিক সাফল্য এলাকাবাসীর কাছে প্রশংসিত।
দ্বীনি ও দুনিয়াবী শিক্ষার সমন্বয়ে একটি জ্ঞানভিত্তিক ও নৈতিক সমাজ গঠন করা। কুরআন-সুন্নাহ শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে সুন্দর চরিত্রের অধিকারী মানুষ তৈরি করা এবং তাদের সমাজের জন্য দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ গঠন করা, যারা কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক জীবনযাপন করবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে। আধুনিক শিক্ষায় দক্ষ, নৈতিকভাবে সচেতন ও দ্বীনি জ্ঞানে সমৃদ্ধ একটি প্রজন্ম গড়ে তোলা আমাদের দ্বায়িত্ব
কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক শিক্ষা, নৈতিকতা ও চরিত্র গঠন, ভাষা দক্ষতা, সাধারণ শিক্ষা, দাওয়াহ ও মানবসেবা — সব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পারদর্শী করে গড়ে তোলা এবং তাদের মাধ্যমে সমাজের উন্নয়ন সাধন করা।
হাফেজ ক্বারী মোরশেদ আলম হুজুর এর হাত ধরে মাদরাসাতুত তাহফিজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা হিফজ সম্পন্ন করে।
নুরানি বিভাগ চালু হয়।
প্রতিবছর ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা সফরে নিয়ে যাওয়ার জন্য উদ্দ্যেগ নেওয়া হয়
হেফজ শিক্ষার পাশাপাশি জেনারেল শিক্ষার ব্যবস্থা শুরু করা হয়
মাদ্রাসা থেকে ১০০+ হাফেজ তৈরি হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক, হিফজ বিশেষজ্ঞ
হিফজ শিক্ষক
হিফজ শিক্ষক
হিফজ শিক্ষক
নুরানী ও নাজেরা শিক্ষক